Cinque Terre

মোঃ ইয়ারুল ইসলাম
মহাসচিব, বাংলাদেশ কংগ্রেস

নাম: মোঃ ইয়ারুল ইসলাম
জন্ম: ২৮/০৮/১৯৭৪ইং, মাতুলালয় তলুইগাছা, সদর, সাতক্ষীরা
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-আইচপাড়া, পোষ্ট অফিস- হঠাৎগঞ্জ, থানা-কলারোয়া, জেলা-সাতক্ষীরা
বর্তমান ঠিকানা (ভাড়া) : ফ্লাট-সি৫, অনামিকা এ্যাপার্টমেন্ট, ৭৬৬, মনিপুর (৬ষ্ঠ তলা), মিরপুর, ঢাকা-১২১২
পেশা: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট (আইন পেশায় যোগদান-২০০১)
চেম্বার: ৪২৫, সুপ্রীম কোর্ট বার মূল ভবন, ঢাকা-১০০০
শিক্ষাগত অবস্থান: এস.এস.সি: ১৯৯১, ১ম বিভাগ, হঠাৎগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলারোয়া, সাতক্ষীরা
এইচ.এস.সি: ১৯৯৩, ১ম বিভাগ, কলারোয়া সরকারী কলেজ, সাতক্ষীরা
এলএল.বি. (অনার্স), ১৯৯৮, ২য় শ্রেণী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল)
এলএল.এম, ২০০০, ২য় শ্রেণী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল)
কর সনাক্তকরণ নং- ৪৪৯২৬৭৩২৭৭০৩
জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ২৬৯৪৮১৩৮৭১৩২১
ফোন নং-০১৭১১৪৭৭৯১৫
ফেসবুক আইডি: Earul Islam

ই-মেইল আইডি: earulislam@yahoo.com
রাজনৈতিক পটভূমি: প্রতিষ্ঠাতা-মহাসচিব, বাংলাদেশ কংগ্রেস। পূর্বে কোন রাজনৈতিক দলে সম্পৃক্তি নেই।

অন্যান্য অবস্থান:
উপদেষ্টা: সাতক্ষীরা জেলা সমিতি, ঢাকা

লেখালেখী: বিভিন্ন পত্রিকায় লেখা বেরিয়েছে।
প্রকাশিত পুস্তক ৬টি: (১) শিকড় (কাব্যগ্রন্থ) ২০০৬
(২) সামাজিক রাজনীতি (প্রবন্ধ) ২০১২
(৩) অরণ্য প্রভা (কাব্যগ্রন্থ) ২০১৩
(৪) কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য (ইতিহাসগ্রন্থ) ২০১৫
(৫) কথামালা (নিজস্ব বাণীর সংকলন) ২০১৬
(৬) যা কিছু সঞ্চয় (প্রবন্ধ) ২০১৬

সম্পাদনা: (১) আবার জেগেছে প্রাণ (১৯৯৬), আইচপাড়া ছাত্র সংসদ (প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি)
(২) সেতুবন্ধন (২০০৭), হঠাৎগঞ্জ ফাউন্ডেশন (প্রতিষ্ঠাতা)
(৩) ইছামতি (২০০৮), সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতি, ঢাকা
(৪) গুড়পুকুর (২০০৯), সাতক্ষীরা সাংষ্কৃতিক ফোরাম, ঢাকা (প্রতিষ্ঠাতা-যুগ্ম আহবায়ক)
(৫) বেত্রাবতী (২০১০), কলারোয়া ফাইন্ডেশন (প্রতিষ্ঠাতা)
(৬) কপোতাক্ষ (২০১১), খুলনা বিভাগীয় আইনজীবী সমিতি, ঢাকা
(৭) মেম্বার্স ডাইরেক্টরী (২০১১), বাংলাদেশ আইন সমিতি
(৮) স্মরণিকা (২০১২), বাংলাদেশ আইন সমিতি
(৯) প্রশান্তি (২০১২), ঈশা খাঁ ফাউন্ডেশন
(১০) বুলেটিন (২০১৩), কপোতাক্ষ ফোরাম

পারিবারিক পরিচিতি
প্রপিতামহ: ইব্রাহিম সরদার, ইসলামী চিন্তাবিদ ও দানবীর ছিলেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ততা ছিল। প্রখ্যাত সাংবাদিক মাওলানা আকরাম খাঁর সহচর ছিলেন। (দ্রঃ কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃঃ ১১৪-১১৫)।

পিতামহ (দাদা) : মরহুম সানাউল্লাহ সরদার (মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকসেনাদের হাতে নির্যাতিত। তিনি ৩ কক্ষবিশিষ্ট নতুন বিল্ডিং মুক্তিযোদ্ধাদের থাকা-খাওয়ার জন্য ছেড়ে দেন। ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধা এখানে থাকতেন এবং খাওয়া-দাওয়া করতেন। তিনি নিজ খরচে তাদের খাবার সরবরাহ করতেন। দ্রঃ কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃঃ ৭৮, ৮৭, ৯৭, ১৭৮)।

দাদী: মরহুমা হাফিজা খাতুন (মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ কলাকালিন ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধার জন্য খাবার রান্না করতেন। দ্রঃ কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃঃ ৯৭)।

পিতা: মরহুম নুরুল হাফিজ। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। (মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকসেনাদের হাতে নির্যাতিত। দ্রঃ কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃঃ ৮৭)।

চাচা-১: মরহুম আব্দুল মালেক সরদার (মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকসেনাদের হাতে নির্যাতিত। দ্রঃ কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃঃ ৮৭)।

চাচা-২: মোঃ আব্দুস সামাদ (আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত, মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান আছে। দ্রঃ কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃঃ ৯৭)।

মাতা: মরহুমা নুরান নাহার (মহান মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ কলাকালিন ২৮ জন মুক্তিযোদ্ধার জন্য খাবার রান্না করতেন। দ্রঃ কলারোয়া: ইতিহাস ও ঐতিহ্য পৃঃ ৯৭)।

ভাই-বোন: ৫ বোন সবাই বিবাহিত ও গৃহিনী
৫ ভাই: (১) মোঃ আজহারুল ইসলাম, প্রভাষক, বোয়ালিয়া মুক্তিযোদ্ধা কলেজ, কলারোয়া, সাতক্ষীরা
(২) নিজ
(৩) মোঃ কামরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক, পাঁচরখী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সদর, সাতক্ষীরা
(৪) জাহিদ হাসান সোহাগ, এলজিইডিতে চাকরিরত, পাথরঘাটা, বরগুনা
(৫) মোঃ মেহেদী হাসান, সহকারী শিক্ষক, কাকডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলারোয়া, সাতক্ষীরা

স্ত্রী: আকতার জাহান মুশফিকুন্নাহার (সীমা), গৃহিনী
সন্তান: কন্যা- সিনিন মেহতাসিন (১০), ৪র্থ শ্রেণী, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মিরপুর
পূত্র- সোহাইব ইরহাম রাদ্ (৫), প্লে শ্রেণী, গ্রীন ভিউ স্কুল,মনিপুর, মিরপুর